সর্বশেষ
Home / রাজনীতি / হাসিনা জানতে চাইলেন, ইনু সাহেবের কী হয়েছে?

হাসিনা জানতে চাইলেন, ইনু সাহেবের কী হয়েছে?

গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। আলোচনার এক পর্যায়ে উঠল ১৪ দলের শরিক জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রসঙ্গ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন, ইনু, সাহেবের কী হয়েছে?
মোহাম্মদ নাসিম প্রধানমন্ত্রীকে জানালেন, ‘আপনার সঙ্গে তিনি দেখা করতে পারেন না। ১৪ দলে তেমন পাত্তা পান না। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উত্তরের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘এমন হওয়া ঠিক না। ১৪ দলের শরিকগুলো হলো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। এর মধ্যে কোনো ভাঙ্গন আমি দেখতে চাই না। দলের শরিকদের মধ্যে কথার লড়াই আর কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। আপনি কিছুদিনের মধ্যেই ১৪ দলের একটি সভা ডাকুন, যেখানে আমি অংশ নেব।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জানালেন, অগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ১৪ দলের সভা ডাকা হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন, ‘আর হ্যাঁ, ইনু সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে চান, তিনি পাঙ্গাস খাবেন নাকি চিতল?’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদায় নিতেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী। ওবায়দুল কাদেরের কাছে নির্দেশ গেল ১৪ দলের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। সাধারণ সম্পাদক বার্তা পেলেন দলীয় সভাপতির।

এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফোনে যোগাযোগ করেছেন ইনুর সঙ্গে। ১৪ দলের বৈঠকের কথা জানালেন তাঁকে। পরক্ষণেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানতে চাইলেন, ‘ইনু ভাই, পাঙ্গাস খাবেন নাকি চিতল?’

‘বিএনপিতে ভূত আছে’

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন কমিটির সভা। গণভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রংপুর সিটি করপোরেশনের ফাঁকে ফাঁকে দেশে চলমান রাজনীতি, বিএনপির সমাবেশ এসব নিয়ে আলোচনা হয়।

বিএনপি জনসভা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় আওয়ামী লীগের জনসভায় কি করতো তা কি বেগম জিয়া ভুলে গেছে। আমার গাড়িই তো ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিতো।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। যতক্ষণ বিএনপি গণতান্ত্রিক কর্মসূচি করবে আমরা বাধা দেব না, অতীতেও দেইনি। কিন্ত বিএনপিতে তো ভূত আছে। ওই ভূত সবসময় বিনপিকে ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসে ধাবিত করে। কখন যে বিএনপিকে ভূতে পায় এজন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হয়। আমাদের কাছে জনগণের জানমাল,জনগণের নিরাপত্তা হলো গুরুত্বপূর্ণ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচি করুক আপত্তি নেই। কিন্ত রাজনীতির নামে গাড়ি পোড়ানো,মানুষ মারার রাজনীতি বাংলাদেশে করতে দেওয়া হবে না।’

আলাপচারিতায়, আগামী নির্বাচন নিয়েও কথা হয়। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী নির্বাচন হবে আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য দলের ঐক্য জরুরি। যেই মনোনয়ন পাক তাঁকে জেতানোর জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

Test

আরো দেখুন

মেজর (অব:) হাফিজউদ্দিন আহমদ বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান তার নীজ দলের সাবেক ছাত্র নেতা সহ আ.লীগের ৩ জন,

মেজর (অব:) হাফিজউদ্দিন আহমদ বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান তার নীজ দলের সাবেক ছাত্র নেতা সহ আ.লীগের …

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com